অনুদানের ছবি কমপক্ষে ২০ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি বাধ্যতামূলক

0
37
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির নবনির্বাচিত পরিষদের সঙ্গে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদের মতবিনিময়। ছবি: সংগৃহীত

সারাবেলা ডেস্ক: ‘আগে অনুদানের ছবি হলে মুক্তি পেত না। আমরা এখন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি দেয়ার বাধ্যবাধকতা দিয়েছি। গত বছর ১০টা হলে মুক্তি দেয়ার বাধ্যবাধকতা ছিল, এ বছর থেকে ২০টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি দেয়ার বাধ্যবাধকতা দিয়েছি।’ 

সচিবালয়ে রোববার (৬ জুন) দুপুরে পরিচালক সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির সঙ্গে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী এসব এ কথা জানান।

চলচ্চিত্রে বরাদ্দ বাড়ানোর বিষয় নিয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য আগে প্রতিবছর আমাদের বরাদ্দ ছিল ৫ কোটি টাকা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে সেটিকে ১০ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে।’

এখন অনুদানের চলচ্চিত্রের সংখ্যা বাড়বে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রতিবছর ১০টা সিনেমায় অনুদান দেয়া হতো। আমরা গত বছর ১৬টি সিনেমা অনুদান দিয়েছি।’

অনুদানের সিনেমা প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি দেয়া প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘আগে অনুদানের ছবি হলে মুক্তি পেত না। আমরা এখন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি দেয়ার বাধ্যবাধকতা দিয়েছি। গত বছর ১০টা হলে মুক্তি দেয়ার বাধ্যবাধকতা ছিল, এ বছর থেকে ২০টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি দেয়ার বাধ্যবাধকতা দিয়েছি।’

মন্ত্রী আরও জানান, ‘অনুদানের ছবিতে শুধু আর্ট ফিল্ম নয়, এখন বাণিজ্যিক ছবির সংখ্যা বাড়ানো হবে।’

এ সময় চলচ্চিত্র নির্মাণে ঋণ দিতে এবং নতুন মুখের সন্ধানে করার জন্য চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনকে (বিএফডিসি) থোক বরাদ্দ দেয়ার দাবি জানান পরিচালক সমিতি।

দাবির পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রী বলেন, ‘এটি একটি ভালো প্রস্তাব। বিষয়টি আমরা বিবেচনা করে দেখব।’

এ ছাড়া রুগণ্‌ চলচ্চিত্রকে বাঁচাতে প্রেক্ষাগৃহ নির্মাণ ও সংস্কারে ১ হাজার কোটি টাকার একটি তহবিল গঠন করা হয়েছে বলেও জানান তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী।

তিনি বলেন ‘এই তহবিল থেকে ঢাকা ও চট্টগ্রামে কেউ হল নির্মাণ বা সংস্কার করতে চাইলে ৫ শতাংশ সুদে এবং বাকি জেলাগুলোতে ৪ দশমিক ৫ শতাংশ সুদে ঋণ নিতে পারবে। এটি ১০ বছর মেয়াদি ঋণ।’

পাঁচ-ছয় বছর অপেক্ষার পর জেলা তথ্য ভবন নির্মাণের একটি প্রকল্প একনেকে পাস হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘ প্রকল্পের অধীনে বিভিন্ন জেলায় তথ্য ভবন নির্মিত হবে। তথ্য ভবনের সঙ্গে সেখানে একটি সিনেমা হল বা হল নির্মিত হবে। হল আউটসোর্সিং করে সিনেমা হল হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।’

তিনি আরও জানান, এফডিসির নতুন ভবন নির্মাণ ও সৌন্দর্যবর্ধনের দুটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। গাজীপুরে বঙ্গবন্ধু ফিল্ম সিটির দ্বিতীয় পর্যায়ের কার্যক্রমও শেষ পর্যায়ে। চট্টগ্রামেও এফডিসির একটি শাখা করার জন্য বিটিভি থেকে এক একর জায়গা এফডিসিকে দেওয়া হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারসচিব মো. মকবুল হোসেন, পরিচালক সমিতির সভাপতি সোহানুর রহমান সোহান, চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সহসভাপতি ছটকু আহমেদ, মহাসচিব শাহীন সুমন প্রমুখ।

আজসারাবেলা/এমজে/বিনোদন

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here