খন্দকার মোস্তাকের তারাই প্রেতাত্না যারা আমার বিরুদ্ধে সরকারকে ব্যবহার করেছে: ডা. ফেরদৌস খন্দকার

0
1628

বাংলাদেশের ছেলে ডা. ফেরদৌস খন্দকার নিউইয়র্কে মেডিসিন-বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচিত । একজন মানবিক চিকিৎসক হিসেবে খ্যাতিও রয়েছে তার। আমেরিকান কলেজ অব ফিজিশিয়ানস-এর একজন ফেলো ও গবেষক তিনি। বাংলাদেশের প্রায় ১৪০০ শিক্ষার্থীর লেখাপড়ার দায়িত্ব নেওয়া অলাভজনক সংস্থা ‘দি অপটিমিস্ট’ এর ভাইস চেয়ারম্যান। কুমিল্লায় গড়ে তুলেছেন দেবিদ্বার ফয়জুন্নেসা ফাউন্ডেশন দাতব্য প্রতিষ্ঠান। নিউইয়র্কে গড়ে ওঠা শেখ রাসেল ফাউন্ডেশন ইউএস-এর প্রেসিডেন্ট তিনি। কাজের স্বীকৃতির জন্য ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে পেয়েছেন সম্মানজনক ইউএস কংগ্রেশনাল অ্যাওয়ার্ড।

করোনাকালীন সময়ে তিনি আরো বেশি জনসম্পৃক্ত হন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে। বাংলাদেশে এসেছিলেন মানুষকে সেবা দিতে। সেই অভিজ্ঞতা আর বর্তমান করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আজ সারাবেলা মুখোমুখি হয়েছিল ডা. ফেরদৌস খন্দকারের।

সাক্ষাৎকার নিয়েছেন জব্বার হোসেনরবিউল ইসলাম রবি

আজ সারাবেলা: কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের সেকেন্ড ওয়েভ এসেছে, আবার কেউ কেউ বলছেন আসেনি; আপনার পর্যবেক্ষণ কী?

ডা. ফেরদৌস খন্দকার: যখন পর পর দুই সপ্তাহ ২০ শতাংশ টেস্টে পজেটিভ আসছিল তখনই প্রথম ওয়েভ ছিল। টেস্ট এখন একেবারে কম। তাহলে কীভাবে বলবেন সেকেন্ড ওয়েভ এসেছ? যদি প্রচুর টেস্ট হতো সেখান থেকে শনাক্তের কার্ভ দেখে বিষয়টি বোঝা যেত। তবে সেকেন্ড ওয়েভ চলছে, এটা সত্য। এটা টেস্টের পজিটিভিটির দিক থেকে সংখ্যায় কম, কিন্তু মনে হয় ক্লিনিক্যাল সেকেন্ড ওয়েভ। প্রথম ওয়েভের পর এক থেকে দেড় মাস একটু স্থিতি অবস্থায় ছিল। সংক্রমনের হারও কম ছিল। এখন স্বল্প লক্ষণধারী রোগী চারদিকে অনেক। সেই প্রেক্ষাপটে অনেকে হয়তো বলছেন সেকেন্ড ওয়েভ এসে গেছে।

কিন্তু পশ্চিমা বিশ্বে শনাক্তের কার্ভটা তারা ফলো করেন। কত শতাংশ টেস্ট করা হলো, কত শতাংশ সংক্রমিত হলো; সেটা দেখে তারা সংক্রমণের সেকেন্ড ওয়েবের কথা বলছেন। কিন্তু আমাদের দেশে টেস্টের সংখ্যা কম। পারিপার্শ্বিক দিক বিবেচনায় বাংলাদেশেও চলছে সেকেন্ড ওয়েভ।

আজ সারাবেলা: বাংলাদেশে কোভিড-১৯ আক্রান্ত বেশির ভাগ রোগীই বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছে এবং বেশির ভাগই আবার সেরেও উঠছে। হাসপাতালে না যেতে চাওয়ার যে প্রবনতা- তা কেন?

ডা. ফেরদৌস খন্দকার: আমাদের হেল্থ সিস্টেমের উপর মানুষের আস্থা ছিল, আছেও। আসলে মানুষেরতো যাবার জায়গা নেই। এই আস্থার জায়গাটা নষ্ট হবার পেছনে সাহেদ-সাবরিনার মতো মানুষ যারা মেইন রোল প্লে করেছে, তারাই দায়ী। হাসপাতালগুলোতে নানান অসুবিধা। আবার অনেকে এফোর্ড করতে পারে না। ফলে বাড়ির পরিবেশেই মানুষ নিরাপদ বোধ করছে। আমি মনে করি এটা ভাল। সাথে যদি কঠোরভাবে স্বাস্থ্যসেবা ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করা যায়, তাহলে আরও ভালো। আবার এতে করে আমাদের যে হেল্থ সিস্টেম সেটার ওপর চাপও পড়বে না। পাশাপাশি বাড়িতে চিকিৎসা নেওয়া রোগীদের জন্য যদি নিয়মিত টেলিমেডিসিনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা যেত তাহলে আরো ভালো হতো। শহরের মানুষ হয়তো টেলিমেডিসিনের সুবিধা পাচ্ছে, কিন্তু গ্রামের মানুষ একেবারেই পাচ্ছে না।

আমি নিউইয়র্কে নিয়মিত প্র্যাকটিস করি। এখানে সবার হেল্থ ইনস্যুরেন্স আছে। সরকার থেকে বলে দেওয়া হয় তোমার ডাক্তার নির্দিষ্ট করা। পছন্দ না হলে ডাক্তার পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে। আমাদের দেশের প্রান্তিক মানুষের জন্য যদি এমন জায়গাটি নিশ্চিত করা যেত তাহলে আমরা অনেক দূর চলে যেতে পারতাম।

আজ সারাবেলা: সংক্রমণ রোধে অনেক দেশেই আবার কড়াকড়ি আরোপ করছে। সেদিক থেকে জীবন-জীবিকার প্রয়োজনে বাংলাদেশে শুধুমাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো ছাড়া সবই আগের মতো চলছে। আমাদের সামাজিক বাস্তবতা বিবেচনায় এই অবস্থায় সংক্রমণ রোধে কী করতে পারি?

ডা. ফেরদৌস খন্দকার: দেখুন পৃথিবীতে প্রায় দু’শো দেশ রয়েছে। হাতে গোনা তিন-চারটা দেশ ছাড়া কয়টা দেশ তাদের জনগণকে ঘরে বসিয়ে কমপক্ষে দুই বছর খাওয়াতে পারবে? পারবে না। তাই বের হয়ে আসতেই হবে। তার মানে এই নয় এখনই সব খুলে দিবেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে সরকার একটি ভাল সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রয়োজনে ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রিতভাবে খুলে দেয়া যেতে পারে।

আজ সারাবেলা: কিন্তু সংক্রমণ ঝুঁকির মাঝেও গণপরিবহনে মানুষের অবাধ যাতায়াত। সিট ভর্তি হবার পর মানুষ দাঁড়িয়েও যাচ্ছে…

ডা. ফেরদৌস খন্দকার: জীবিকার প্রয়োজনে আপনাকে আমাকে বের হতেই হবে। যুক্তরাষ্ট্রেও গণপরিবহন খুলে দেওয়া হয়েছে। একটা মেসেজ খুব জরুরী। তাহলো নিজের নিরাপত্তা নিজেরই নিতে হবে। প্রত্যেককেই যার যার জায়গা থেকে সচেতন হয়ে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। যে কোন রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে দেখা যায়, যিনি বক্তব্য দিচ্ছেন তার মাস্ক নেই; যারা শুনছেন তাদেরও মাস্ক নেই কেন? নেতার সঙ্গে ছবি তুলতে মাস্ক ছাড়াই গা ঘেষাঘেষি করে দাড়াঁচ্ছেন। এতে নেতারও ক্ষতি, নিজেরও ক্ষতি।

অফিসগুলো চাইলে তাদের টাইম রিসিডিউল করতে পারে। এতে করে কিছুটা ভিড় এড়ানো হয়তো সম্ভব। কিন্তু মাস্ক আপনাকে পড়তেই হবে। সরকার আইন করে কিছুই করতে পারবে না যদি মানুষের মাইন্ডসেটে পরিবর্তন না আসে।

আজ সারাবেলা: আমরা বার বার সামাজিক দূরত্বের কথা বলছি। আসলে সামাজিক দূরত্ব না শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা উচিত?

ডা. ফেরদৌস খন্দকার: এই ভাইরাসটি একটু ভারী। কথা বলার সময় এক থেকে তিন থেকে ছয় ফুট পর্যন্ত ছড়াতে পারে, কখনও কখনও এর চেয়ে বেশিও ছড়াতে পারে। তাই শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা উচিত।

আজ সারাবেলা: বাংলাদেশের গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে যে চিকিৎসা পেয়েছেন বাংলাদেশের মানুষও একই চিকিৎসা সেবা পেয়েছেন। আপনার পর্যবেক্ষণ কী?

ডা. ফেরদৌস খন্দকার: যিনি এই মন্তব্য করেছেন, তিনিই এ বিষয়ে ভাল বলতে পারবেন। যারা সামর্থ্যবান, যারা স্কয়ার, ল্যাবএইড, ইউনাইটেডের মতো ব্যয়বহুল হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন তারা হয়তো এর কাছাকাছি মানের সেবা পেয়েছেন। কিন্তু যারা সাধারণ মানুষ তাদের ক্ষেত্রে কথাটি একেবারেই যৌক্তিক নয়।

আজ সারাবেলা: এই করোনা মহামারিতে আপনি বাংলাদেশের মানুষকে সেবা দেবার আকাঙ্খা নিয়ে এসেছিলেন। অনেক স্বাস্থ্য সরঞ্জামও সঙ্গে এনেছিলেন। কিন্তু আসবার পর তেমন কোন কার্যক্রম চোখে পরেনি। আবার ফিরে গেছেন। কেন?

ডা. ফেরদৌস খন্দকার: এক বুক আসা নিয়ে দেশে এসেছিলাম- মানুষের জন্য কাজ করবো। দশ জন ডাক্তারের একটি টিম রেডি ছিল। আরো কিছু এসিসটেন্সকে টেনিং দিয়ে বনানীতে একটি সেবা কেন্দ্র করার পরিকল্পনা ছিল। যেটা হবে ২৪ ঘন্টা জরুরী সেবা। আমরা সাধারণ ও কোভিড-১৯ আক্রান্ত্র দুধরণের রোগীদেরই জরুরী ভিত্তিতে সেবা দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সেটা হয়ে ওঠেনি।

আমি অনেক জায়গায় যোগাযোগ করেছি। সরকারি এবং বেসরকারি। বলেছি, সেবা দিতে চাই, আমার একটি জায়গা দরকার। প্রয়োজনে অর্থ ব্যয় করবো। নিজেকে ক্রিমিনাল মনে হতে লাগলো। তারা দ্বিধাদ্বন্দে ছিল যে, আমি খন্দকার মোস্তাক বা রশিদের আত্নীয় কি না! সহযোগিতা করে কে আবার কোন ঝামেলায় পড়ে। অথচ এ সবই ছিল মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ। বুঝে গিয়েছিলাম আমি সেবা দিতে পারবো না। কিন্তু আমিতো সেবক। প্রায় সাড়ে চার লক্ষ টাকা ট্যাক্স দিয়ে স্বাস্থ্য সরঞ্জাম মুক্ত করেছি। সেই স্মৃতিও সুখকর ছিল না। তবুও আমি কিন্তু কাজ বন্ধ করিনি। কুমিল্লা মেডিকেল, চট্টগ্রাম মেডিকেল ও দেবিদ্বারে তা বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়ে হয়েছে।

এমনকি ফিরে আসার পরও, যারা আমার সঙ্গে কাজ করে তারা জামালপুর, কুড়িগ্রামে বন্যার্তদের ত্রান দিয়েছে আমার পক্ষ থেকে। ক’দিন আগেও চার হাজার ডলারের এন-৯৫ মাস্ক ডাক্তারদের জন্য বাংলাদেশে পাঠিয়েছি। আমি খুব ক্ষুদ্র মানুষ। নিজের মতো করে কাজ করার চেষ্টা করি। মা’য়ের ওপর তো অভিমান করা চলে না।

আজ সারাবেলা: আপনি চিকিৎসক। এসেছিলেন মানুষকে সেবা দিতে। কিন্তু কার আত্নীয়, কার আত্নীয় না, এই ‘আত্নীয় বিতর্ক’ নিয়ে কিছু বলতে চান কি না?

ডা. ফেরদৌস খন্দকার: এয়ারপোর্ট থেকে নামার পরও আমি জানতাম না বাংলাদেশে এই বিতর্কের কথা। আমাকে অফিসিয়ালি কিছু বলাও হয়নি। আমার কথা হলো- ১. আমি যদি কারো আত্নীয় হই, সেটা কি আমার দোষ? ২. দুষ্টু লোকের আত্নীয় কী ভালো মানুষ হতে পারে না? তাই বলে কি ভালো মানুষকে ভালো কাজ করতে দিবেন না? ৩. আমি আসলেই তাদের কারো আত্নীয় না। যারা এই অপপ্রচার ছড়িয়েছে তাদেরকে প্রশ্ন করা উচিত ছিল, কেন বিব্রত করা হলো সরকারকে। খন্দকার মোস্তাকের তো তারাই প্রেতাত্না যারা আমার বিরুদ্ধে সরকারকে ব্যবহার করেছে। মানুষকে স্বাস্থসেবা থেকে বঞ্চিত করেছে।

আমি থেমে নেই, কাজ করে যাচ্ছি প্রজন্মের জন্য। দুটো বই লিখেছি। ইংরেজি সংস্করণটি আগামী সপ্তাহে প্রকাশ পাচ্ছে- “আওয়ার বাংলাদেশ” । আর বাংলায় প্রকাশিত হবে “ছোটদের বাংলাদেশ” নামে। বইটিতে আমি বর্ণনা ও ছবির মাধ্যমে সহজ ভাষায় বাংলাদেশকে তুলে ধরেছি। যেখানে বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ, বাংলাদেশের ইতিহাস সহজ ভাষায় উঠে এসেছে। যা শিশু-কিশোরদের নিজের দেশকে সহজভাবে জানতে সাহায্য করবে বলে আমি মনে করি। সারা পৃথিবীতে বইটি ছড়িয়ে দেবার ইচ্ছা রয়েছে আমার।

আজ সারাবেলা: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপনি জনপ্রিয়। অনেক তরুণের কাছে আপনি আইকন। একটি বিষয় লক্ষনীয় সোশ্যাল মিডিয়ায় আপনাকে নিয়ে অনেক নেতিবাচক মন্তব্যও আছে, যার শুরুটা নিউইয়র্ক থেকেই। আপনি কী মনে করেন এই জনপ্রিয়তার কারণে অনেকেই আপনার শত্রু হয়ে উঠেছে?

ডা. ফেরদৌস খন্দকার: চার দেয়ালের মাঝে ডাক্তারিটা আমার কাছে বরাবরই ব্যবসা মনে হয়েছে। অজ্ঞতা শুধু বাংলাদেশে নয় নিউইয়র্কেও আছে। আমি চেয়েছি আমার জ্ঞানকে মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে। তাই একটি মেডিকেল আর্কাইভ করতে চেয়েছি। এতে করে মানুষ সচেতন হবে। অপচিকিৎসা বন্ধ হবে। আমার একটি টিমও আছে। সেখানে ক্যামেরা পারসন থেকে শুরু করে ভিডিও এডিটরও রয়েছে।

করোনাকালীন সময় আমি হয়তো মানুষের অনেক কাছে চলে এসেছি। কিন্তু কাজগুলো অনেক বছর ধরে করছি। অনেক চিকিৎসকরাও এগিয়ে এসেছেন। আমার এই এগিয়ে আসা হয়তো অনেকের ভালো লাগেনি। নিউইয়র্কের এই বিরোধী গ্রুপটি অনেক আগে থেকেই ছিল। তারা আমাকে প্রতিদন্দ্বী ভাবে কি না আমার জানা নেই। আমি তো মুজিব আদর্শের লোক। বন্ধুকের নলের মুখে মেডিকেল কলেজে ছাত্রলীগ করেছি চট্টগ্রামের মতো জায়গায়।

আমিতো কাজের মানুষ। শেষ পযর্ন্ত মানুষের কাজই টিকে। আল্লাহ্ তায়ালা আমাকে এভাবেই বানিয়েছেন। আমি মানুষের সেবক, আমি কাজই করে যাবো। কাজের মধ্যে আমি কোন রাজনীতি দেখি না। মানুষের যদি কাজে লাগে মানুষ ভিডিওগুলি গ্রহণ করবে।

আজ সারাবেলা: আপনি কাজ করতে ভালোবাসেন। এই কাজ নিয়ে আপনার সামনের পরিকল্পনা যদি বলেন…

ডা. ফেরদৌস খন্দকার: সামনের বছরের শুরুতেই বাংলাদেশের কয়েকটি জায়গায় মোবাইল হেল্থ ক্লিনিক শুরু করতে যাচ্ছি। চিকিৎসা সরঞ্জামসহ ডাক্তারই পৌছে যাবে রোগীদের কাছে। প্রাথমিকভাবে যেখানে একজন গাইনি ও একজন শিশু বিশেষজ্ঞ এই স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করবে।

আজ সারাবেলা: আপনার প্রিয় দেশ ও দেশের মানুষকে নিয়ে যদি কিছু বলার থাকে…

ডা. ফেরদৌস খন্দকার: আল্লাহ্ তায়ালা রোগ-ব্যাধী দেন আবার তিনিই আরাগ্য দেন। রোগ বালাই সম্পর্কে জানতে হবে বিজ্ঞান কি বলে। আস্থা হারালে চলবে না। আমাদের মতো দেশের মানুষকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজে শিখিয়ে দেন কীভাবে মাস্ক পড়তে হবে। নিজের প্রটেকশন নিজেকেই নিতে হবে। অন্যকে দায়ী করলে চলবে না। বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পড়ুন। শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখুন।

আজ সারাবেলা: সময় দেবার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

ডা. ফেরদৌস খন্দকার: আপনাদেরকেও ধন্যবাদ।

আজসারাবেলা/সংবাদ/রই/সাক্ষাৎকার

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here