রোহিঙ্গা পাসপোর্ট বিষয়ে খুবই অ্যালার্ট: কবিতা খানম

সারাবেলা রিপোর্ট: রোহিঙ্গা পাসপোর্টসহ নানাবিধ বিষয়ে নির্বাচন কর্মকর্তারা খুবই অ্যালার্ট জানিয়ে নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম বলেছেন, অলরেডি কিছু রোহিঙ্গাকে শনাক্তও করেছেন। ২০০৭-০৮ সালে নির্ভুল ভোটার তালিকা উপহার দিয়েছি। নির্বাচন কর্মকর্তারা এর সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল। কোনো নির্বাচন কর্মকর্তা রোহিঙ্গাদের ভোটার তালিকায় আনবে না। জন্মনিবন্ধনসহ অনেক কিছু দেখে ভোটার করা হয়। তাদের সেই সুযোগ নেই। তবে তদন্তে কোন ধরণের বিষয়ে নির্বাচন কর্মকর্তা-কর্মচারী রোহিঙ্গাদের জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়ার সঙ্গে জড়িত প্রমাণিত হয়, তাহলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম।

সোমবার দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা আঞ্চলিক কর্মকতা কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

কবিতা খানম আরো বলেন, রোহিঙ্গাদের হাতে যাতে বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়পত্র না পৌঁছে সে ব্যাপারে আমাদের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা বলেছেন, ডকুমেন্টের ভিত্তিতে অনেক সময় শনাক্ত করা যায় না। ভোটার হতে আগ্রহীদের সঙ্গে মুখোমুখি কথা বলা যায়, তাহলেই বাংলাদেশি নাগরিক কিনা সেটি শনাক্ত করা সম্ভব।

রোহিঙ্গাদের বায়োমেট্রিক নেওয়া আছে জানিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনে বায়োমেট্রিক নিচ্ছি। ভোটার তালিকা করার আগে চট্টগ্রামের বিশেষ এলাকার ক্রসমেসে যদি মিলে যায় তাহলে তারা তো শনাক্ত হয়ে যাবে।

রোহিঙ্গা যদি তালিকাভুক্ত হয়ে থাকে, তবে তাদের খুঁজে বের করার নির্দেশনা দিয়েছি। এটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে কিছু গ্রেপ্তারও হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম আরো বলেন, ২০১৪ সালে ল্যাপটপ হারানোর বিষয়ে তখন মামলা হয়েছে। তদন্ত হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের তদন্তের মাধ্যমে যদি দেখা যায় কেউ জড়িত আছে, তবে কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় অ্যাকশন আছে। বাইরের কেউ হয় তবে ফৌজদারি অ্যাকশন হবে। তদন্তে যদি দোষী হয়, তবে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ সময় চট্টগ্রামের জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মনির হোসেন খানসহ কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, ২১ উপজেলার নির্বাচন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আজ সারাবেলা/সংবাদ/সিআ/জাতীয়

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.