হাছনরাজা আমার সঙ্গে ঘুরে বেড়ান, যেটাকে টাইম ট্রাভেল বলে: শাকুর মজিদ

0
401
  • সৃজনশীলতার দুনিয়ায় ‘শাকুর মজিদ’ নিজেকে আলাদা একটি চরিত্র হিসেবে দাঁড় করিয়েছেন। যিনি একই সঙ্গে লিখছেন, নির্মাণ করছেন আবার স্থপতি হিসেবেও তার সুখ্যাতি রয়েছে। পুরস্কারের চেয়েও বড় প্রাপ্তি তার অনেক মানুষের ‘প্রিয় মানুষ’ তিনি। খুব কম চরিত্রই পারে নিজেকে এমন জায়গায় পৌঁছে দিতে। শাকুর মজিদের সঙ্গে এক সন্ধ্যায় ‘আজ সারাবেলা’র আলাপচারিতা।

সাক্ষাৎকার নিয়েছেন জববার হোসেনসিদ্দিক আশিক

আজ সারাবেলা: শুরুতে গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ, কলাম অনেক কিছু লিখেছেন। ভ্রমণ কাহিনীতে থিতু হলেন কিভাবে?

শাকুর মজিদ: আমার প্রথম ভ্রমণ কাহিনী বই হিসেবে প্রকাশিত হয়, ২০০৪ সালে। খালাতো ভাই মুস্তাফা সেলিম তখন প্রকাশক। উৎস নামে একটি প্রকাশনা সংস্থা করেছে। সে পাণ্ডুলিপি খুঁজছে। ৯৭ সালে গিয়েছিলাম আমিরাত। সেখানে প্রতিদিনের টুকিটাকি ডায়েরিতে লিখতাম। সেসব লেখা নিয়েই প্রকাশিত ‘আমিরাতের তেররাত’। ২০০১ সালে গেলাম আমেরিকা। সঙ্গে প্রথম ভিডিও ক্যামেরা। প্লেনে বসে, ম্যানুয়াল দেখে ক্যামেরা অপারেটিং শিখলাম।

বাঙালি লোকজনের সঙ্গে ক্যামেরাতেই আড্ডা দেই, গল্প করি। এক সময় দেখলাম ১৮ ঘণ্টা ফুটেজ জমে গেছে। তখন একটা ডকুমেন্টারি করি ‘স্বপ্নের দেশে, স্বপ্নভঙ্গের দেশে’। পাশাপাশি ন্যারেশনও লিখতে থাকি। আমেরিকায় অভিবাসনের ইতিহাস নিয়ে জার্মান ক্যালচার সেন্টারে আমার ডকুমেন্টারি প্রদর্শিত হয়েছিল ‘স্বপ্নের দেশে, স্বপ্ন ভঙের দেশে। এরপর এই নিয়ে বই হয়- ‘কাছের মানুষ, দূরের মানুষ’।

২০০৩ সালে ৫ জনের একটা টিম হয়ে যায়। একুশ দিনের সফরে চিলি গিয়েছিলাম। তার মধ্যে দুই সপ্তাহ ইউরোপ। পুরো সময়টাজুড়ে চোখ ছিল ভিউফাইন্ডারে। তখনও লেখা হয়ে উঠেনি। ২০০৫ সালে আরটিভি বাজারে আসলে খ ম হারুনকে প্রস্তাব দেই ট্রাভেল শো করার। তিনি তিনটি প্রোগ্রামের স্ক্রিপ্ট জমা দিতে বলেন। তখন প্রথম আমার স্ক্রিপ্ট লেখা শুরু।

শেক্সপিয়ারের বাড়ির সামনে শাকুর মজিদ।

এর মধ্যে সক্রেটিসের বাড়ি নামে একটি লেখা ‘সাপ্তাহিক ২০০০’ এর ঈদ সংখ্যায় প্রকাশিত। অ্যাথেনসের সক্রেটিস, অ্যাক্রোপলিশ আর লাসভেগাস এই ৩ পর্ব রেডি হয়। আর টিভির সাথে ২৬ পর্বের চুক্তি হয়। এভাবে একেক পর এক স্ক্রিপ্ট রেডি হতে থাকে। আমি নেরেশনে অনেক ডিটেইলে যেতে থাকি। আর সেখান থেকেই তৈরি হতে থাকে বইয়ের জন্য পাণ্ডুলিপি। ২০০৮ এ আমার প্রকাশিত হয় ‘ক্লাশ সেভেন ১৯৭৮’ অন্য প্রকাশ থেকে। বইয়ের দুটা এডিশন শেষ হয়ে যায় এক বছরে। তখন প্রকাশক আমার কাছে নতুন পাণ্ডুলিপি চান। পরের বছর ২০০৯ সালে প্রকাশিত হয় আমার চারটি বই। সক্রেটিসের বাড়ি, পাবলো নেরুদার দেশে, কালাপানি, হো চি মিনের দেশে। এক দিকে প্রকাশকরা তাগাদা দিতে থাকে, অন্যদিকে টেলিভিশনের জন্য স্ক্রিপ্ট রেডি হতে থাকে। প্রায় ১৫০ পর্ব আমাকে তৈরি করতে হয়েছিল ট্রাভেল শো’র জন্য। এভাবে করে আমার প্রচুর ভ্রমণ কাহিনী লেখা হয়ে যায়।

আজ সারাবেলা: আপনার গদ্য ঝরঝরে, একেবারে মেদহীন। আপনি তো উপন্যাস লিখতে পারতেন, গল্প বলতে পারতেন। সেটি না করে কেন শুধু ভ্রমণ কাহিনী লিখলেন?

শাকুর মজিদ: যেকোন লেখাই লেখকের আত্মজৈবনিক লেখা। নিজের কথা উত্তম পুরুষে বলা অনেক সাহসিকতার ব্যাপার। সবার সেটা থাকে না। নিজের জীবনের যে অভিজ্ঞতা তা গল্প উপন্যাসে নানা চরিত্রের মধ্য দিয়ে বলানোর চেষ্টা করা হয়। আমার অভিজ্ঞতা যদি সরাসরি ভ্রমণকাহিনীর মধ্য দিয়ে বলতে পারি তাহলে আর অন্য চরিত্র বা কাল্পনিক চরিত্র নির্মাণের প্রয়োজন কী?

আজ সারাবেলা: আপনার ভ্রমণ একটি স্বতন্ত্র জায়গা নিয়েছে, যা সহজে আলাদা করা যায় অন্যের চেয়ে। গল্প বলার ঢংটাও নিজস্ব। তবে স্থাপত্যিক বর্ণনার অনেক বেশি ডিটেল লক্ষ্যযোগ্য। সেটা কি সচেতনভাবে, আপনি স্থপতি হওয়ার কারণে?

শাকুর মজিদ: সচেতনভাবে এবং স্থাপত্যবিদ্যার ছাত্র হওয়ার কারণে। সবার পক্ষে তো স্থাপত্যবিদ্যা পড়ার সুযোগ হয়নি। কেউ যদি চিকিৎসা বিজ্ঞানের জটিল টার্মগুলো, ডিজিজগুলো গল্পের মত করে সহজভাবে বলে, সেটা নিশ্চয়ই পড়ব আমি। তেমনিভাবে আমিও চেয়েছি স্থাপত্যের বিষয়গুলোকে সহজ করে গল্পের মধ্যে যাতে নিয়ে আসতে পারি।

আজ সারাবেলা: প্রথমে লিখলেন ক্লাস সেভেন ১৯৭৮, তারপর ক্যাডেটের ডায়েরি, এখন প্রকাশিত হচ্ছে ‘বুয়েটকাল’ সম্ভবত ৮৬ থেকে ৯৩ এই সময়কালটার বর্ণনা। আপনি বলেছেন লেখকের যে কোন লেখাই আত্মজৈবনিক। সেই সূত্রে এ লেখাগুলো আত্মজীবনীর অংশ কি না?

শাকুর মজিদ: এই লেখাগুলো ধারাবাহিক আত্মজীবনী। অটোবায়োগ্রাফিক সিক্যুয়াল বলতে পারেন। সাধারণত দেখেছি লোকে বৃদ্ধ বয়সে, অবসরে গিয়ে স্মৃতিকথা লিখে। জানি না কখন আমার অবসর হবে। কখন বৃদ্ধ বয়সে যাব। আগামীকাল আছি কি না সেটাওতো জানি না আমি। ৮৩ বছরে গিয়ে ১৬ বছরের জীবন লিখবার চেয়ে যদি ৫২ বছর বয়সেই সেটা লিখে ফেলতে পারি তাহলে সমস্যা কী?

শাকুর মজিদের ভ্রমণবিষয়ক প্রথম উপন্যাস ‘ক্লাস সেভেন ১৯৭৮’।

শুধু মানুষ নয় যে কোন প্রাণী তার অস্তিতকে জানান দিতে চায়। একটা মাছও লেজটা নাড়িয়ে ঝাটকা দিয়ে যায় নিজের অস্তিত্বকে বোঝাতে। ইতিহাসে যাদের সুযোগ ছিল, সামর্থ ছিল, ক্ষমতা ছিল তারা তাদের প্রাসাদ, অট্টালিকা, নগর অনেককিছুতেই নাম রেখে গেছেন। তাদের উত্তরসূরিরাও তাদের নামে অনেক কিছু রেখেছেন। মানুষ তার নামটাকে, সিগনেচারটাকে রেখে যেতে চায়। আমি একজন সামান্য লেখক হিসেবে কিছু বই রেখে যেতে চাই।

আজ সারাবেলা: গত বছর আপনি ভ্রমণ সাহিত্যে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পেয়েছেন। কখন কি আপনার মনে হয় বা হয়েছে যে, এই পুরস্কারটি আপনাকে আরও আগেই দেওয়া উচিত ছিল?

শাকুর মজিদ: আমার মনে হওয়া দিয়ে কিছু যায় আসে না। খুব ব্যতিক্রম ছাড়া যারা পুরস্কার দেন তাদের ইচ্ছা, রুচি, নীতিমালার প্রতিফলন ঘটে যিনি পাচ্ছেন তার উপর। সে বিবেচনায় অনেক মহৎ সাহিত্যিকও পুরস্কার না পেতে পারেন যদি পুরস্কার দাতার মতের সঙ্গে, পথের সঙ্গে, ইচ্ছের সঙ্গে, হিসেব নিকাশের সঙ্গে না মিলে।

আজ সারাবেলা: পুরস্কার পাওয়ার আগে ও পরে এই দুই সময়ের মধ্য আলাদা কোন পার্থক্য অনুভব করেন কি না? লেখায়, চিন্তায়, ভাললাগা, মন্দলাগায়?

শাকুর মজিদ: আমি কোন পার্থক্য দেখি না। আগেও যেমন লিখতাম, যেভাবে লিখতাম এখনও সেভাবেই লেখি। আরও ভাল লিখতে হবে এমন কোন বাড়তি চাপ অনুভব করি না। পুরস্কারকে আমি আনন্দ হিসেবে নিয়েছি।
এর আগের বার আমি পুরস্কার না পাওয়াতে যারা মন খারাপ করেছিলেন তাদের কারণে আমার পুরস্কারটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আবার অনেকের পুরস্কার আমাকে বিস্মিত করেছে। যদিও আমার বিষ্ময়ে পুরস্কারদাতাদের কোন কিছু যায় আসে না। কেননা তারা অনেক বিজ্ঞ, তারা দাতার আসনে আসীন। আমি গ্রহিতা। দাতার ইচ্ছার প্রতিফলন আমার উপর ঘটলে আমি পাব, না পড়লে নাই। এটা সবার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

আজ সারাবেলা: পেশাগতভাবে আপনি স্থপতি হলেও একই সঙ্গে ছবি তুলছেন, তথ্যচিত্র নির্মাণ করছেন, নাটক লিখছেন, সাহিত্য রচনা করছেন এমন আরও অনেক কিছু। অনেক কিছু একসঙ্গে করার কারণ ও ব্যাখ্যা জানতে চাইব।

শাকুর মজিদ: কোন একটা কিছু দেখে যে কৌতুহলী হওয়া সেটা নিবৃত্ত করতে গিয়েই আমার অনেক কিছু করা। কোন কিছু দেখে আমি যদি আগ্রহী হই, সেটা না করে আমার নিস্তার নেই।

আজ সারাবেলা: আপনার টেলিভিশন নাটক ‘লন্ডনি কইন্যা’ ভীষণ জনপ্রিয় হয়েছিল। তারপর সেভাবে আর কোন টেলিভিশন নাটক লিখেননি কেন?

শাকুর মজিদ: তখন টেলিভিশন বলতে শুধু বিটিভি ছিল। রোবটের মত একজন উপস্থাপক এসে বলতো এ সপ্তাহের নাটক প্রচারিত হচ্ছে, নাট্যকার অমুক। এটা দেখে মনে হলো, আমিওতো নাটক লিখতে পারি। নাট্যকার হিসেবে আমার নামটা শুনতে চাই টেলিভিশনে। আমি যে নাটক লিখতে পারি সেটা বোঝাতে চাই। লন্ডনি কইন্যা লিখলাম ৯৬-এ। প্রচারিত হলো ৯৯-এ। বছরখানিক সময় নিলাম লন্ডনি কইন্যাদের কেস স্ট্যাডি করতে। এর পরের নাটক ‘শেষ দৃশ্য’ গাজী রাকায়েত প্রযোজক ছিল, ৯৮-এ আগে প্রচারিত হয়েছিল। এরপর লিখলাম চেরাগ। তবে টেলিফিল্ম অনেক লিখেছি। সে সময় যা প্রচারিত হচ্ছিল টেলিফিল্ম হিসেবে তার মেনে নিতে পারছিলাম না। নাটক আর ফিল্ম আলাদা। দুটো এক নয়। সেটা বোঝাতে গিয়েই প্রথম টেলিফিল্ম লিখলাম ‘নাইওরী’। তৌকির আহমেদ পরিচালনা করেছিল, ২০০১ সালে। আবার মনে হলো নিজে পরিচালনা করি। তখন লিখলাম ‘বৈরাতি’। পরিচালনা করলাম নিজে ২০০৩ সালে। সেটা সে বছর ৭টি শাখায় পুরস্কার পেল।

মিশরে শাকুর মজিদ।

আজ সারাবেলা: মঞ্চে আসি। সাম্প্রতিক সময়ে আপনার ‘হাছনজানের রাজা’ অনেক বেশি দর্শকপ্রিয়। হাছনরাজাকে নতুনভাবে আবিষ্কার করলেন। চিত্রিত করলেন। হাছনরাজাকে নতুনভাবে দেখবার দৃষ্টি, যদি পাঠকের সঙ্গে শেয়ার করেন।

শাকুর মজিদ: হাছনরাজার আগে আমি শাহ আব্দুল করিমকে দীর্ঘ আট বছর অনুসরণ করেছি। খুব কাছ থেকে দেখে তাকে নিয়ে ডকুমেন্টারিও করেছি। মনে হয়েছে এ এলাকায় আরও দুজন সাধক রয়েছেন। একজন হাছনরাজা, অন্যজন রাধারমন। হাছনরাজার নিয়ে যত বই তার সবই পড়েছি। মনে হয়েছে এক ধরনের বিভ্রান্তি রয়েছে। সুনামগঞ্জ এলাকায় আমি দীর্ঘ দিন ঘুরেছি। আলো, হাওয়া, জল, মানুষের সঙ্গে কথা বলেছি। হঠাৎ মনে হলো তার বিরুদ্ধে যে প্রশ্ন, অভিযোগ এ সবের জবাব তিনি কি দিতেন?

আমি হাছনরাজাকে এই সময়ে নিয়ে এসেছি। এক ধরনের জবাবদিহিতার মুখে তাকে দাঁড় করাই। আসল হাছনরাজা কে ছিলেন তার কাছে জানতে চাই। আমি যে হাছনরাজাকে পেয়েছি তিনি অন্য মানুষ। যিনি অজানা ছিলেন। কেন তিনি মরমি হলেন এটা আমার চুড়ান্ত জিজ্ঞাসা ও আবিষ্কার ছিল। তিনি জমিদার ছিলেন। কম বয়সে অর্থ এবং ক্ষমতা একই সঙ্গে পেলে মানুষ ধরা কে সরা জ্ঞান করে। এ অবস্থার কাছাকাছি নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা ছিলেন। তিনি কিন্তু নিজের অবস্থান ও ক্ষমতা হারিয়েছেন, হাছনরাজার তা নয়। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি ক্ষমতার মধ্যেই ছিলেন। ক্ষমতাবান মায়ের মৃত্যু তাকে প্রবল প্রভাবিত করেছিল। অনেক সম্পত্তি থাকার পরও মৃত্যুর পর তার মায়ের কোন কাজে আসছে না। এই সম্পত্তি এক সময় তারও কোন কাজে আসবে না। সম্পত্তি বিবাগী হয়ে উঠেন তিনি। বুঝতে পারেন গুঢ় অর্থ। তা না হলে ‘কিসের বাড়ি কিসের ঘর’, ‘কি ঘর বানাইমু আমি শুন্যেরও মাঝার’ কিভাবে লিখেন?

আধ্যাত্মিকতার চরম সীমায় পৌঁছালেই কেবল স্রষ্টা সঙ্গে প্রত্যক্ষ যোগাযোগ তৈরি হয়ে যায়। শরিয়ত, হকিকত, তরিকত ও মারফত এ স্থরগুলো অতিক্রম করে অন্য এক উচ্চতায় পৌঁছে যান। তা না হলে কি করে বলেন, ‘আমা হতে সব উৎপত্তি হাছনরাজায় কয়’। মানুষের ভিতরেই যে, স্রষ্টার বসবাস তা যুগেযুগে অনেক মনীষী, আধ্যাত্মিক সাধকরা বলে গেছেন। সক্রেটিস বলেছেন, রুমির বয়ানে আছে, রবীন্দ্রনাথ বলেছেন, ইবনুল ফরিদ বলেছেন, হযরত আলী (রা.) বলেছেন, নজরুলের কথায় আছে। সাধনার চ‚ড়ান্ত স্থরে না পৌঁছালে কেউ এমন বলতে পারে না। আমি আর কারো লেখায় হাছনরাজাকে এভাবে আবিষ্কার হতে দেখিনি।

আজ সারাবেলা: শেষ করব আরেকটি কৌতুহলের মধ্য দিয়ে। আপনি প্রতিনিয়তই নতুন নতুন সৃজনশীল কাজে নিজেকে যুক্ত করেন। এই মুহুর্তে নতুন আর কি করছেন?

শাকুর মজিদ: উপন্যাস লিখছি হাছনরাজাকে নিয়ে। নাম পিয়ারী। মনে হতে পারে নাটক লিখবার পর হাছনরাজাকে নিয়ে উপন্যাস লিখবার কারণ কি? মাধ্যম কিন্তু দুটো ভিন্ন। আমি একই কথা দুই মাধ্যমে ভিন্নভাবে প্রকাশ করব। এখানে ম্যাজিক রিয়েলিজমও আছে। হাছনরাজা, আমার সঙ্গে ঘুরে বেড়ান, যেটাকে টাইম ট্রাভেল বলে। এক রাতের গল্প। আবার হয়তো কিছুই ঘটেনি। আশা করছি বইটি আগামী মেলায় প্রকাশিত হবে।

আজ সারাবেলা: ধন্যবাদ আপনাকে।

শাকুর মজিদ: ধন্যবাদ আজ সারাবেলা’কে।

আজসারাবেলা/সাক্ষাৎকার/রই/০৯/জুন/১৮